ধর্ষণ করার পর বিয়ে করার অছিলায় তরুণীকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করলো মুসলিম যুবক।

26th December 2020 3:53 pm News
ধর্ষণ করার পর বিয়ে করার অছিলায় তরুণীকে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করলো মুসলিম যুবক।


ক্রমশই সারা ভারত জুড়ে নারী নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশ্নচিহ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে নয়াদিল্লির সঙ্গম বিহার এলাকায়। সেখানে এক যুবতীকে ধর্ষণ করার পর বিয়ে করার অছিলায় জোর করে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠল হ্যালো সাকিব আলী নামক এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। 

কুতুকুতু ব্যাপারে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ওই তরুণীর বাড়ি নিউদিল্লির সঙ্গম বিহারে‌। তরুণীদের বাড়িতে ওই মুসলিম যুবক যারা এসেছিল। হিন্দু ওই তরুণী সাথে ওই মুসলিম যুবকের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসময় ওই যুবতীর সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে অভিযুক্ত সাকিব। তারপর ওই তরুণীকে বিয়ে করে অভিযুক্ত সাকিব। কিন্তু বিয়ের পরেই সাকিব এই মেয়েটিকে মুসলিম ধর্মগ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে। মেয়েটি রাজি না হ‌ওয়ায় তার উপরে অকথ্য অত্যাচার চালাতে থাকে সাকিব। অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাকিবের বিরুদ্ধে সরিতা বিহার পুলিশ থানয় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। পুলিশ জানিয়েছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে এফ‌আইআর নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই ওই যুবককে ধরবে পুলিশ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।