ঘৃণ্য ঘটনা নদীয়ার পলাশিপাড়া। ধর্ষণ করে খুন করা হলো স্কুলছাত্রীকে।

29th December 2020 11:44 am News
ঘৃণ্য ঘটনা নদীয়ার পলাশিপাড়া। ধর্ষণ করে খুন করা হলো স্কুলছাত্রীকে।


সারা ভারতজুড়ে বেশ কিছু ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে ভারতের নারী সুরক্ষা ব্যবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের বুকেও ঘটে গিয়েছে পরপর কয়েকটি ঘৃণ্য নারী নির্যাতনের ঘটনা। এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠল নদীয়ার পলাশীপাড়া। 

গত শনিবার নদীয়ার পলাশীপাড়া এলাকায় একাদশ শ্রেণিতে পাঠরতা এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপরেই অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদীয়ার পলাশীপাড়া। ‌ মানুষের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। পরপর বেশ কিছু দোকানঘর ভাঙচুর করা হয় আগুন লাগানো হয় বেশ কয়েকটি গাড়িতে। মৃত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বুধবার একটি পুকুর থেকে ওই ছাত্রীর হাত-পা বাঁধা নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে এলাকার মানুষজন। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ‌ পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে এবং তাকে চটজলদি গ্রেপ্তার করেছে। ‌ অভিযুক্ত দুস্কৃতির নাম আলি উল্লাহ মল্লিক। পুলিশ জানিয়েছে ওই যুবক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই তারপর থেকেই এলাকাবাসী বারবার পথ অবরোধ করেছেন। ‌ সকলেই চাইছেন একটি নিরীহ মেয়েকে এইভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করার জন্য দোষীর অবিলম্বে ফাঁসি হোক।

তারপর এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে এবং পরপর চারটি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয়। 

জানা গিয়েছে ওই মেয়েটি মামাবাড়ি থেকে ফিরছিল, তখনই অভিযুক্ত মেয়েটিকে ধরে টেনে নিয়ে যায় নির্জন এলাকার দিকে। ‌ ধর্ষণ করার পর তার হাত-পা বেঁধে ফেলে দেয় পুকুরের মধ্যে। এই পৈশাচিক ঘটনায় সকলেই দোষী ব্যক্তির কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি করেছেন





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।