সারা ভারতজুড়ে বেশ কিছু ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে ভারতের নারী সুরক্ষা ব্যবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের বুকেও ঘটে গিয়েছে পরপর কয়েকটি ঘৃণ্য নারী নির্যাতনের ঘটনা। এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠল নদীয়ার পলাশীপাড়া।
গত শনিবার নদীয়ার পলাশীপাড়া এলাকায় একাদশ শ্রেণিতে পাঠরতা এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপরেই অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদীয়ার পলাশীপাড়া। মানুষের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। পরপর বেশ কিছু দোকানঘর ভাঙচুর করা হয় আগুন লাগানো হয় বেশ কয়েকটি গাড়িতে। মৃত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বুধবার একটি পুকুর থেকে ওই ছাত্রীর হাত-পা বাঁধা নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে এলাকার মানুষজন। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করে এবং তাকে চটজলদি গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত দুস্কৃতির নাম আলি উল্লাহ মল্লিক। পুলিশ জানিয়েছে ওই যুবক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই তারপর থেকেই এলাকাবাসী বারবার পথ অবরোধ করেছেন। সকলেই চাইছেন একটি নিরীহ মেয়েকে এইভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করার জন্য দোষীর অবিলম্বে ফাঁসি হোক।
তারপর এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে এবং পরপর চারটি দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয়।
জানা গিয়েছে ওই মেয়েটি মামাবাড়ি থেকে ফিরছিল, তখনই অভিযুক্ত মেয়েটিকে ধরে টেনে নিয়ে যায় নির্জন এলাকার দিকে। ধর্ষণ করার পর তার হাত-পা বেঁধে ফেলে দেয় পুকুরের মধ্যে। এই পৈশাচিক ঘটনায় সকলেই দোষী ব্যক্তির কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি করেছেন